দাম না পাওয়ায় চামড়া পুঁতে ফেলছেন কোরবানিদাতারা

দাম না পাওয়ায় চামড়া পুঁতে ফেলছেন কোরবানিদাতারা

নীলফামারী প্রতিনিধি.

ঈদের আগে সরকার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল। কিন্তু কোরবানির পশুর চামড়া সে দামে বেচা-কেনা হচ্ছে না। অনেক ব্যাপারী সেটি স্বীকার করে নিলেও দুই-একজনের দাবি ছিল নির্ধারিত দামেই চামড়া কেনার চেষ্টা করছেন তারা।

মৌসুমী ব্যবসায়িদের ভাষ্যমতে, এ বছর বেশিরভাগ গরুর চামড়ার দরদাম হয়েছে ৪০০-৬০০ টাকায়।

খুব কম সংখ্যক চামড়ার দাম উঠেছে হাজারের কাছে। মৌসুমী ব্যবসায়িরা জানালেন, বিগত কয়েকবছরের মধ্যে এবারে চামড়ার দাম সবচেয়ে কম।

এদিকে, কোরবানির পশুর চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন অনেক কোরবানিদাতারা। এমন ঘটনা ঘটেছে গোটা নীলফামারীতে। চামড়া কেনার লোক না পাওয়া যাওয়ায় সারাদিন অপেক্ষার পর বাধ্য হয়েই কোরবানিদাতারা চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলেন। অনেকে আবার খুব কম দাম জেনে, রাগ করে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলেন।

জেলা শহর ছাড়াও সৈয়দপুর, ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। জানা যায়, সারাদিনেও এসব এলাকায় কোনো চামড়া কেনার লোক মিলেনি। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই মাটিতে গর্ত করে পুঁতে ফেলেছেন গরু ও খাসির চামড়া।

জেলার সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়নের হাসান ৫০ হাজার টাকা দামের গরুর চামড়া সৈয়দপুর আড়তে নিয়ে যান। সেখানে তার গরুর চামড়ার দাম মাত্র ৮০ টাকা বলা হয়। রাগে-ক্ষোভে চামড়াটি বাড়িতে নিয়ে এসে মাটিতে পুঁতে ফেলেন তিনি।

Share.

Comments are closed.