ডিমলায় ভোট সেন্টারে অঙ্গনিসংযোগের আসামী আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক

ডিমলায় ভোট সেন্টারে অঙ্গনিসংযোগে আসামী আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক

নুরনবী ইসলাম মানিক, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হয়েছেন ১০ম জাতীয় নির্বাচনের ভোট সেন্টার ভাঙ্গচুর ও অঙ্গিসংযোগের আসামী সাদেকুল ইসলাম।
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার আওয়ামীলীগ কে গ্রতিশীল করার লক্ষ্য প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ওয়াড কাউন্সিল অনুষ্টিত হয়। তারেই ধারাবাহিকতায় ডিমলা সদর ইউনিয়নে ওয়ার্ড কাউন্সিল দেয় ইউনিয়নের সভাপতি ইব্রাহিম কামাল ডিআই ও সম্পাদক মুহিত কুমার রায়।
জানা যায়, গত ২০ নভেম্বর বিকালে ৮নং (নটাবাড়ী কুমারপাড়া) ওয়ার্ডে কুমারপাড়া গ্রামে জয় হরি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আব্দুল হামিদের সভাপত্বিতে ৮নং ওয়ার্ড কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সভাপতি প্রার্থী ছিলেন শ্রী জতিষ চন্দ্র রায়। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন গত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ও ভোট সেন্টার ভাঙ্গচুর ও অঙ্গিসংযোগের আসামী সাদেকুল ইসলাম।
প্রথম অধিবেশন শেষে কমিটি ঘোষনা করেন সদর ইউনিয়নের সভাপতি ইব্রাহিম কামাল ডিআই। জতিষ চন্দ্র রায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়। সাধারন সম্পাদক হিসাবে ঘোষনা করেন সাদেকুল ইসলাম কে। সাদেকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জামায়াত শিবিরের সাথে সম্পক্ত থাকায় এবং জাতীয় নির্বাচনে ভোট সেন্টার ভাঙ্গচুরের মামলার আসামী থাকায় কমিটি স্থগিত করা হয়। সভাপতি সম্পাদক সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কায্যালয়ে বসে মোটা অংকের টাকার বিনিময় সাদেকুল ইসলাম কে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষনা করেন।
ডিমলা সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহিত কুমার সিংহ রায় বলেন, সাদেকুল ইসলাম জামায়াত শিবিরের সাথে জরিত নয়। ভুল বসত তার নাম ভোট সেন্টার ভাঙ্গচুর মামলায় চলে গেছে।
ডিমলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু বলেন, অভিযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষ্যে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
সদর ইউনিয়নের ৮নং ওয়াডে নবনির্বাচিত সভাপতি জতিষ চন্দ্র রায় মুঠোফোনে ফোন কলে কমিটি বিষয় তিনি কিছু জানে না বলে ফোন কেটে দেয়।
এলাকাবাসী জানায়, ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারী ১০ম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্টিত হয়। জাতীয় নির্বাচন ভোট বর্জন করেন বিএনপি জামায়াত ঐক্য জোট। ৫ জানুয়ারী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জামায়াত ভোট সেন্টারে ব্যাপক নাশকতা ও অঙ্গনিসংযোগ করেন। নির্বাচনে আকাশকুড়ি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র ভাঙ্গচুর ও অঙ্গনিসংযোগ করে ভোটের মালামাল পুড়িয়ে দেয়। ডিমলা থানা মামলা নাম্বর-০৬ তারিখ: ০৬-০১-২০১৪ইং। ১০৫ নাম্বার সেন্টার আকাশকুড়ি দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার মাহফুজুল হক বাদী হয়ে আসমী সাদেকুল ইসলাম (২৪) ও তার বাবা মুহুবর রহমান (৪৮) সহ ৫৬জনকে আসামী করে একটি ভোট সেন্টার ভাঙ্গচুর ও অঙ্গিসংযোগের মামলা দায়ের করা হয়।

Share.

Comments are closed.